অবশেষে অনিশ্চয়তার জীবন থেকে মুক্তি মিলেছে চার ভারতীয় নাগরিকের। এক বছর আগে কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পুশ ইনের শিকার হওয়া শিশুসহ চার ভারতীয় নাগরিককে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীবাহিনী (বিএসএফ)।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে শিশুসহ চার ভারতীয় নাগরিককে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় রাজশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন ও বিজিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ এক বছর বাংলাদেশে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটানোর পর নিজ দেশে ফিরতে পেরে স্বস্তি ও আনন্দের কথা জানান তারা। দুই দেশের সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন ফেরত যাওয়া এসব ভারতীয় নাগরিক। দেশে ফেরা চারজনের মধ্যে রয়েছেন এক শিশু, একজন কিশোর, একজন নারী ও একজন যুবক।
প্রসঙ্গত, গত বছরের জুন মাসে কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে এ চারজনসহ মোট ছয় ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশ ইন করে বিএসএফ। পরে আদালতের নির্দেশে গত ৫ ডিসেম্বর অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বেগম ও তার ছেলেকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ফিরিয়ে নিলেও বাকি চারজনকে ফেরত নিতে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়।
পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বাসিন্দা এ চারজনকে আইনি জটিলতা ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বিলম্বের কারণে আদালতের নির্দেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক জিম্মাদারের বাসায় সাত মাসেরও বেশি সময় থাকতে হয়েছে। পুশ ইনের ঘটনার পর গত বছরের ২০ আগস্ট অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে জেলা পুলিশ তাদের আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলে প্রায় তিন মাস কারাভোগ করতে হয়। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজ দেশে ফিরতে পারলেন পুশ ইনের শিকার এ চার ভারতীয় নাগরিক।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে শিশুসহ চার ভারতীয় নাগরিককে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় রাজশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন ও বিজিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ এক বছর বাংলাদেশে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটানোর পর নিজ দেশে ফিরতে পেরে স্বস্তি ও আনন্দের কথা জানান তারা। দুই দেশের সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন ফেরত যাওয়া এসব ভারতীয় নাগরিক। দেশে ফেরা চারজনের মধ্যে রয়েছেন এক শিশু, একজন কিশোর, একজন নারী ও একজন যুবক।
প্রসঙ্গত, গত বছরের জুন মাসে কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে এ চারজনসহ মোট ছয় ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশ ইন করে বিএসএফ। পরে আদালতের নির্দেশে গত ৫ ডিসেম্বর অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বেগম ও তার ছেলেকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ফিরিয়ে নিলেও বাকি চারজনকে ফেরত নিতে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়।
পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বাসিন্দা এ চারজনকে আইনি জটিলতা ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বিলম্বের কারণে আদালতের নির্দেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক জিম্মাদারের বাসায় সাত মাসেরও বেশি সময় থাকতে হয়েছে। পুশ ইনের ঘটনার পর গত বছরের ২০ আগস্ট অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে জেলা পুলিশ তাদের আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলে প্রায় তিন মাস কারাভোগ করতে হয়। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজ দেশে ফিরতে পারলেন পুশ ইনের শিকার এ চার ভারতীয় নাগরিক।
প্রতিনিধি :